• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম :
বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপিত, বোদায় পোনা মাছ অবমুক্তকরণ ও র‍্যালি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের টিউবওয়েল ও সেলাই মেশিন বিতরণ জনগণের দোরগোড়ায় বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ আজাদ বিগত সময়ে বিদ্যুৎ খাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে- পঞ্চগড়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ তেঁতুলিয়ায় শিক্ষকদের নিয়ে ‘পাঠ্যক্রম ভিত্তিক নাট্যভাবনা’ বিষয়ক  প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  পঞ্চগড় জেলার স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়ন করা হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  বাড়ির আঙিনায় মরদেহ রেখে দ্রুত চলে যান আসামিরা তেঁতুলিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়ে ‘পাঠ্যক্রম ভিত্তিক নাট্যভাবনা’ প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু স্পোকেন ইংলিশ ওয়ার্কশপ শেষ পঞ্চগড়ে ভজনপুর বেগম খালেদা জিয়া বালিকা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন, সভাপতি হলেন লাবু

অ্যাডভোকেট রিনা পারভীনকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে চায় পঞ্চগড়বাসী

।। শহীদুল ইসলাম শহীদ।। / ১৭০৭ জন দেখেছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

সাবেক সংরক্ষিত সংসদ সদস্য, বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, পঞ্চগড় জেলা মহিলা দলের প্রথম আহবায়ক,পঞ্চগড় জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট রিনা পারভীনকে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ সংরক্ষিত এমপি হিসেবে দেখতে চায়।
তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স করে পঞ্চগড়ে রাজনীতির পাশাপাশি সুনামের সাথে আইনজীবী হিসেবে পঞ্চগড় বারে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি মহিলা দল জেলা ও রংপুর বিভাগে মহিলা দল গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। গত ১৭ বছরে আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।
অ্যাডভোকেট রিনা পারভীনের বাবা মরহুম খামিরউদ্দিন প্রধান ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক, দানবীর ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি। পঞ্চগড়ে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। তিনি নিজের নামে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ( বিএনপি’র) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। নীতি ও আদর্শে তিনি সবসময় ছিলেন দৃঢ়।
রিনা পারভীনের বাবা ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে আপন জামাই পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম নুরুল ইসলাম নুরু নৌকা মার্কার মনোনয়ন পেলেও দলের স্বার্থে তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের পক্ষে সরাসরি ভোটে কাজ করেন। ১৯৯১ সালে মির্জা গোলাম হাফিজের পক্ষে কাজ করেন। তিনি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করতেন। “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়” এটাই ছিলো তার কাছে বড়।
ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার মরহুম খামিরউদ্দিন প্রধানকে বন্ধু হিসেবে খুবই মূল্যায়ন করতেন। তিনি ২০০১ সালে জাতীয় সংসদের স্পীকার নির্বাচিত হওয়ার পরে একাধিকবার খামিরউদ্দিন প্রধানের বাড়িতে এসেছেন। স্পীকার হিসেবে ২০০৪ সালে বন্ধুত্বের কারণে খামিরউদ্দিন প্রধানের গ্রামের দুই তলা বাড়িটি উদ্বোধন করেন।
১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে অ্যাডভোকেট রিনা পারভীনও দলের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করেছেন তাই তাঁকে ২০০৫ সালে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা হয়। যদিও সেখানে তিনি মাত্র ১ বছরের মতো সময় পেয়েছিলেন। তিনি ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে পঞ্চগড় ০১ আসনে ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকারের পক্ষে কাজ করেছেন। ২০০৯ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছেড়ে দেওয়া আসন বগুড়া ০৭ এ উপ নির্বাচনে ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকারের পক্ষে কাজ করেন।
২০১৮ ও ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি পঞ্চগড় ০১ আসনে ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের ধানের শীষের পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে ধানের শীষে ভোট দিতে উৎসাহিত করেন।
রিনা পারভীন আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে সবসময় সক্রিয় ছিলেন। তিনি বিএনপির রাজনীতি করার কারণে তাঁর স্বামী সরকারি কলেজের অধ্যাপক এ এইচ এম হারুন অর রশিদ দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময় পঞ্চগড়ের কলেজে থাকতে পারেননি। ছিলেন খুলনাতে। তাকে তখন পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে ভাইস প্রিন্সিপাল হতে দেওয়া হয়নি। অবশ্য ০৫ আগস্ট ২০২৪ এর পরে তাঁর স্বামী পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে সুচারুভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দলের জন্য অনেক ত্যাগ ও সংগ্রাম করেছেন রিনা পারভীন। একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে তিনি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করেছেন, তিনি একজন নীতিবান ও সৎ চরিত্রের অধিকারী। জাতীয় পর্যায়ের গোল্ড মেডেল পাওয়া একজন খেলোয়াড়। এছাড়াও তিনি একজন সংগীত অনুরাগী।
ইতোপূর্বে সংরক্ষিত সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সংসদ সদস্য হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কোন অভিযোগ তুলতে পারেন নি।
অ্যাডভোকেট রিনা পারভীনের রাজনৈতিকম ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও পেশাগত বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে পঞ্চগড়ের দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ তাকে সংরক্ষিত আসনের মহিলা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করতে দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদন জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ