• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম :
বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপিত, বোদায় পোনা মাছ অবমুক্তকরণ ও র‍্যালি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের টিউবওয়েল ও সেলাই মেশিন বিতরণ জনগণের দোরগোড়ায় বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ আজাদ বিগত সময়ে বিদ্যুৎ খাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে- পঞ্চগড়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ তেঁতুলিয়ায় শিক্ষকদের নিয়ে ‘পাঠ্যক্রম ভিত্তিক নাট্যভাবনা’ বিষয়ক  প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  পঞ্চগড় জেলার স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়ন করা হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  বাড়ির আঙিনায় মরদেহ রেখে দ্রুত চলে যান আসামিরা তেঁতুলিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়ে ‘পাঠ্যক্রম ভিত্তিক নাট্যভাবনা’ প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু স্পোকেন ইংলিশ ওয়ার্কশপ শেষ পঞ্চগড়ে ভজনপুর বেগম খালেদা জিয়া বালিকা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন, সভাপতি হলেন লাবু

তেঁতুলিয়ায় নারী উদ্যোক্তা রিপার উপহারে শতাধিক অসহায় শিশুর মুখে ঈদের হাসি

তেঁতুলিয়া সংবাদদাতা / ১২২ জন দেখেছে
আপডেট : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

তেঁতুলিয়ায় নারী উদ্যোক্তা রিপার উপহারে শতাধিক অসহায় শিশুর মুখে ঈদের হাসি
ঈদ মানেই আনন্দ,ঈদ মানেই খুশি। কিন্তু সমাজের অনেক অসহায় ও দরিদ্র শিশুর কাছে এই আনন্দ অনেক সময়ই অধরা থেকে যায়। সেইসব শিশুদের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার নারী উদ্যোক্তা ফারহানা কাউসার রিপা। তার এই মানবিক উদ্যোগে এবার ঈদের আনন্দে সামিল হতে পেরেছে শতাধিক অসহায় শিশু।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বুধবার আজ (১৮ মার্চ) দুপুরে তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মমিনপাড়া এলাকায় আয়োজন করা হয় এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের। সেখানে প্রায় শতাধিক গরিব ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে নতুন ঈদের পোশাক বিতরণ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শিশুদের নিয়ে কেক কেটে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন নারী উদ্যোক্তা রিপা। এসময় শিশুদের উচ্ছ্বাস আর হাসিতে পুরো এলাকা যেন উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। পরে একে একে শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন ঈদের পোশাক৷ নতুন পোশাক পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ে শিশুরা।
নতুন জামা পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিশু মিম আক্তার,সে জানায়,রিপা আন্টি আমাদের ঈদের নতুন জামা সব সময় পাই না। আজ নতুন জামা পেয়ে খুব ভালো লাগছে।
আরেক শিশু আমির হামজা জানায়,আমি ঈদের দিনে এই জামা পড়বো। আজকে খুব খুশি লাগছে। শুধু শিশুরাই নয়, তাদের অভিভাবকরাও এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অভিভাবক নাসিমা বেগম বলেন, আমাদের মতো অসহায় মানুষের জন্য কেউ এভাবে ভাবে না। আমাদের বাচ্চাদের ঈদের আনন্দ দেওয়ার জন্য আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ।
স্থানীয়রা জানান, সমাজের বিত্তবানরা যদি এভাবে এগিয়ে আসেন তাহলে অসহায় মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।
নারী উদ্যোক্তা ফারহানা কাউসার রিপা বলেন, ঈদের আনন্দ সবার জন্য। কিন্তু অনেক শিশু আছে যারা নতুন কাপড় ছাড়াই ঈদ কাটায়। তাদের কথা চিন্তা করেই আমার এই ছোট্ট চেষ্টা। ভবিষ্যতেও আমি অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চাই।
তিনি আরও বলেন,সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসা উচিত। সবাই যদি নিজের অবস্থান থেকে একটু করে সাহায্য করি তাহলে সমাজের অনেক অসহায় মানুষ উপকৃত হবে। এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ