পঞ্চগড়ে ইউপি সদস্যকে মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়ায় প্রতিবেশীকে বেধড়ক মারধর করে গাছের ঠাল দিয়ে পিটানোর ঘটনা ঘটেছে। এতে করে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন এক ব্যাক্তি। সেই সাথে থানায় অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় মারধরের শিকার ব্যাক্তি। ঘটনাটি গতকাল ১৭ মার্চ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মাগুড়া ইউনিয়নের দলুয়া বাজারে বাবুলের দোকানের সামনে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের ৪নংওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আজিজার রহমান সরকার। আজিজার রহমান সরকার ইউপি সদস্য একাধারে ওই ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক। আহত ব্যাক্তি হচ্ছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলা মাগুড়া ইউনিয়নের সরকার পাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদ সরকার (৪০)। সে ওই গ্রামের মৃতু শফিকুল ইসলামের ছেলে। একই সাথে আব্দুর রশিদ সরকার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। বর্তমানে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডের তিন নম্বর বেডে চিকিৎসা নিচ্ছেন আহত আব্দুর রশিদ সরকার।
আব্দুর রশিদ সরকার তার পরিবার এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় মঙ্গলবার রাতে আব্দুর রশিদ সরকার তার শ^শুর বাড়ি থেকে বাসায় ফিরছিলেন পথিমধ্যে দলুয়া বাজারে বাবুলের বাবুলের দোকানের সামনে ইউপি সদস্য আজিজার রহমান সরকার আব্দুর রশিদ কে ডেকে নিয়ে বলেন আমার নামে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন কেন? এই কথার জবাবে আব্দুর রশিদ বলেন আমি মিথ্যা তথ্য ছড়াইনি আপনি আমার কাছে মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য দুই দফায় এক বছর আগে পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছেন ফেরত দেননি উপরন্তু আপনি ফ্যামিলি কার্ডের জন্য পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছেন সেই মহুর্তে কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই রশিদ সরকারকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন এক পর্যায়ে গাছের ঠাল দিয়ে রশিদের বাম হাত এবং বাম পায়ে পিটিয়েছেন । তাৎক্ষনিক প্রতিবেশী এবং বাজারের লোকজন রশিদকে উদ্ধার করে রাতে ১১.৪০টার দিকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। হাসপাতালে আব্দুর রশিদ সাংবাদিকদের কাছে ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা আজিজার রহমান সরকারের বিচার দাবী করে ঘুষের টাকা ফেরত চেয়েছেন সেই সাথে ন্যায়বিচারের দাবী করেন।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আজিজার রহমান সরকার জানান আসলে মারামারির ঘটনাটি পারিবারিক ঘটনা। আমি কোন ঘুষ কিংবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার জন্য কোন অর্থ আব্দুর রশিদের কাছে গ্রহন করিনি।