পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার সোনাপাতিলা এলাকার ক্ষুদ্র চা চাষী হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি ২০০১ সালে চা চাষ শুরু করেন। বর্তমানে ২০ একর জমিতে চা রয়েছে তার।
গত শনিবার মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফি ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ চা বোর্ড এর উদ্যোগে “চা শিল্পের উন্নতি, সবুজ হোক অর্থনীতি” প্রতিপাদ্য নিয়ে গতকাল শনিবার (২০ জুন, ২০২৬) বর্ণাঢ্য আয়োজনে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলে “জাতীয় চা দিবস ২০২৬” উদযাপন এবং “জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৬” প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সরকার প্রতিবছর ২১ মে জাতীয় চা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে এ বছর দিবসটি উদযাপন অনুষ্ঠান ২০ জুন আয়োজন করা হয়েছে।
মৌলভীবাজার ০৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আতাউর রহমান খান এনডিসি । বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন এর সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল এবং টিপিটিএবি, বটলিফ টি ফ্যাক্টরি মালিক সমিতির প্রতিনিধি, চা শিল্প সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং চা শ্রমিক প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
সকাল ১১:০০ টায় প্রধান অতিথি কর্তৃক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। এরপর চা শিল্প সংক্রান্ত ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও আলোচনা সভা শেষে দেশের চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮টি ক্যাটাগরিতে “জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৬” প্রদান করা হয়। এছাড়াও এ বছর শ্রেষ্ঠ বটলিফ চা কারখানা ক্যাটগরিতে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের ট্রফি ও সনদ তুলে দেন। এছাড়াও চা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় চা ব্র্যান্ড (ইস্পাহানি, ফিনলে, সিলন, তাজা, কাজী এন্ড কাজী) এর অংশগ্রহণে চা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ্য, দেশের চা শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত সকলকে নিয়ে এ বছর ৬ষ্ঠ বারের মত চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে জাতীয় চা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।