আমাদের একটি টিম (বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অনুসন্ধান BERS) সম্প্রতি যমুনা নদীর বেলকুচি হতে চৌহালী যাত্রা করে। এ সময় যমুনা নদীর ২ তীরে অসংখ্য চর চোখে পরার মত।এ চর গুলির আয়তনের দিক থেকে কোন কোনটি ৭/৮ হাজার একর। এ চর গুলির অল্পই সাধারণ জনগন চাষ আবাদ করলেও তা নেহাতি সনাতন পদ্ধতিতে। আমাদের টিম জানায়, এ চরগুলি বছরে ৭/৮ মাস জেগে থাকে।
সরকারী ব্যাবস্থাপনায় এগুলোতে বর্ষা মৌসুমের শেষ হলেই ভুট্টা, গম এবং গবাদি পশুর জন্য নেপিয়ার ঘাস খাদ্য হিসেবে লাগানো যায়। এ জাতীয় শস্য ও ঘাষ সাধারনত ২০/ ২৫ দিনেই বড় হয়ে প্রচুর গো খাদ্যের জন্ম হয়। এর পর পরই ট্রলার যোগে গবাদিপশু, যেমন ছাগল ও গরু পর্যাপ্ত পরিমানে ছেড়ে রক্ষনাবেক্ষন করতে হবে।
আবার ৬/৭ মাস পর বর্ষা শুরু হলে এগুলোকে সরিয়ে এনে, বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করলে প্রচুর মুনফা আসবে। তবে এ ব্যবস্থাপনা বেসরকারি উদ্যোগতাদের দ্বারাও সম্ভব। সে ক্ষেত্রে সরকারের সহজ শর্তে লিজ ও ঋন ব্যবস্থা দিতে হবে। ছোট্ট মানচিত্রের দেশে ২০ কোটির উপরে জনসংখ্যা। দেশ জুড়ে পতিত হাজার হাজার চর যদি অনাবাদি ফেলে না রেখে, সরকারি তত্বাবধানে।
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে মোসুমি কৃষি ও গবাদি পশুর চারণভুমির আওতায় আনা হয়। তবে দেশের মানুষের আমিষ ও প্রটিন চাহিদার বেশ কিছু শতাংশ পুরন হবে বলে আমাদের টিম মনে করছে।