• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম :
মনসুর আলম স্থায়ী বিচারপতি হওয়ায় পঞ্চগড়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল মালেশিয়া বা সিঙ্গাপুর নয় দক্ষতা অর্জন করে সময়োপযোগী বাংলাদেশ গড়তে চাই : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ আজাদ পঞ্চগড় শহরের হান্নান শেখ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অনুষ্ঠান পঞ্চগড় হাসপাতালে এনসিডি কর্ণার চালু ওয়ালটন প্লাজার পক্ষে দেশব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ঢাকায় তিনদিনব্যাপী ইয়ূথ লিডারশীপ ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং সম্পন্ন পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে করতোয়া জুড়ে আবারও ড্রেজারের ঝনঝনানি জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প পরিদর্শনে পরিচালক পঞ্চগড়ের মতিয়ার রহমান দেশের শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্রায়তন চা উৎপাদনকারী

আমরা সবি ভুলে যাই ভুলতে ভালোবাসি

আনিস প্রধানঃ / ১৭১ জন দেখেছে
আপডেট : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বাংঙ্গালী মুলত বেকুব জাতি। এদের মেমরী কম।দুপুরে কি দিয়ে ভাত খায় রাতে ভুলে যায়। নিজের বৌ এর সাথে হাটছে।অথচ বৌ এর দিকে না তাকিয়ে বলতেই পারেনা বৌ কি শাড়ী পারে আছে? স্বরন শক্তি কম হওয়ার কারনে, আমরা অতিতের করা অপমান ও নির্যাতন সহসাই ভুলে যাই। আর একারণে বৃটিশ ২০০ বছর,পাকিস্তান ৪৭ বছর, এরশাদ ৯ বছর, হাসিনা ১৭ বছর এ জাতিকে নির্যাতন ও শোষণ করার সুযোগ পেয়েছে। আমদের ভুলে যাওয়ার কারনে এরাই আবার ভিন্ন রুপে আমাদের আগামীতে শোষণ করবে, এটাই স্বাভাবিক।

৭১ এ আমাদের ভাইয়েরাই অর্থাৎ বাংলাদেশি কিছু রাজাকার আমাদের মা বোন কে নিজ স্বার্থে ধর্ষণের জন্য হানাদারদের কাছে তুলে দিয়েছিল। সে সময় মুক্তিযুদ্ধাদের তালিকা হানাদার বাহিনীর হাতে, হত্যার জন্য তারাই তাদের সাপ্লাই করেছিল। ঘষেটি বেগম, উমিচাদ, রায়দূর্লভ, মীর জাফর আমাদের লোক ছিল। আসলে স্বার্থ! আমরা বাঙ্গালী স্বার্থের কারনে নিজের মা, ভাই বোনকেও বিপদে ফেলতে তৃপ্তি বোধ করি।

আমার দেখা- এক নেতা জাগদল করতেন। পরে জিয়া হত্যার পর জতীয় পাটিতে যোগ দিয়ে বিএনপির বদনাম জনসভায় মাইকে করলেন।এর পর এরশাদ পতনের পর সেই নেতা আবার বিএনপিকে আপন করে নিলেন। এর পর বিএনপির পতন হলে কিছুদিনের জন্য চুপচাপ থেকে হটাৎ মুজিব কোট গায়ে দিয়ে বেশ ঘুরাঘুরি করতে দেখলাম। এরপর জুলাই আন্দোলন পরবর্তী তিনি বিএনপির বিশাল নেতা বনে গেলেন। তার কথাতেই এখন সব চলে। আমি নেতাকে দোষ দেইনা, দোষ দেই তার সমর্থিত চামচাদের।

যারা সহসাই ভুলে যায় নেতার চরিত্র। অবশ্য নেতার বা কি দোষ,? আমরা তো সবাই “সাট ডাউন মেমোরি লজ”। কাল থেকে ফেসবুক ও মিডিয়ায় দেখছি, পাটি অফিস এর একটি তালা,ভাইরাল। কেউ বোলছে ঠিক , কেউ বোলছে অন্যায়। অর্থাৎ পক্ষে বিপক্ষে ঝড় উঠেছে।
তাহলে বুঝুন আমাদের চিন্তা চেতনায় কত মত পার্থক্য? এজন্যই জাতি হিসবে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এটা ঠিক হবার নয় হবেও না। কারন আমাদের ভুলে যাওয়া একটা রোগ,এটা সারবার নয়।

পরিশেষে সবার কাছে একটা প্রশ্ন? দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার, ১৪ হাজার শিশু ছাত্র জনতা হত্যা,২০ হাজার পঙ্গু! সময় গত মাত্র ১৯ মাস সব ভুলে গেছি। যারা নাকি আমাদের শহিদ হতে নেতৃত্ব দিয়েছিল। তারা এখন ক্ষমতার লোভে নেশায় মাতাল। অজশ্র প্রানের বিসর্জন তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার কৌশল। এরি মাঝে এসেছে নতুন প্রজন্ম এসেছে মোবাইল পাটি। এর আরো ভয়ানক! এরে ক্ষুদিরাম, সুভাষ বসু, রৌফুল বসুনিয়া, নুর হুসেন কে চেনে না। এর আপাতত আবু সাইদ ও মুগ্ধ কে চেনে। আগামীতে ওদেরও ভুলে যাবে। কারন ওরা তাদের নিয়ন্ত্রণ মোবাইলের কাছে সপে দিয়েছে।

আমার ভীষণ ভয় হয়, ভাবতে শরীর শীউরে উঠে! কি হবে সামনে তাই নিয়ে? এভাবেই চলছে চলবে।, বাংলাদেশ কবে শেষ হেসেছিল মনে নেই। তবে হাজার বার অসংখ্য বার কাঁদবে এটা নিশ্চিত ততদিন, যতদিন আমাদের ভুলে যাওয়ার অভ্যাস থাকবে—–!


আপনার মতামত লিখুন :

One response to “আমরা সবি ভুলে যাই ভুলতে ভালোবাসি”

  1. S.K.Niha says:

    এ হলো অপ্রিয় শর্ত। যা আমরা সবাই জানি কিন্তু মানতে নারাজ। আর এভাবেই দিনের পরে দিন , মাস এর পর মাস, বছরে পর বছর, যুগের পর যুগ, ও শতাব্দীর পর শতাব্দী কেটে যাবে। আর আমরা নিশ্চুপ ভুলে যাওয়া মানুষের ভূমিকা পালন করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ